https://dripirrigation.com.bd/

https://dripirrigation.com.bd/
https://dripirrigation.com.bd/

Thursday, October 20, 2011

কম্পিউটার অটো Refresh হবে

কম্পিউটারে কোন কাজ করার পর রিফ্রেস দেওয়াটা অনেকের কাছে রীতিমত অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছে কারো কারো অভ্যাসটা এত বেশী হয়ে গেছে যে কারণে-অকারণেই অনেকে রিফ্রেস দেন :) যাই হোক, আমি আজকে আপনাদের একটা ছোট টিপস শেখাব টিপসটি হল কিভাবে সয়ংক্রিয়ভাবে রিফ্রেস করা যায় এই কাজটি করার ফলে কম্পিউটার নিজে নিজেই রিফ্রেস করে নেবে আপনাকে আর কষ্ট করে মাউস দিয়ে রিফ্রেস করতে হবে না এজন্য আপনাকে যা করতে হবে:
Start Menu -> Run
গিয়ে regedit লিখে ok করুন Registry Editor চালু হবে HKEY_LOCAL_MACHINE -> SYSTEM -> CurrentControlSet -> Control -> Update গিয়ে ডান পাশে লেখা দেখবেন UpdateMode এটাতে ডাবল ক্লিক করে ডাটা 1 এর পরিবর্তে 0 করে দিন কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন ব্যাস হয়ে গেল এখন থেকে আপনার কম্পিউটার অটোমেটিক রিফ্রেস হবে

ল্যাপটপের ব্যাকআপ টাইম বাড়ানোর সহজ কিছু টিপস



লোডশেডিং এর এই সময়ে কম্পিউটার যাদের জন্য অতীব জরুরি তাদের কাছে ল্যাপটপের ল্যাপটপের ব্যাকআপ টাইম বাড়ানোব্যাকআপ টাইম যে কতটা মূল্যবান তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আর তাই ল্যাপটপ কেনার সময়ই এখন আগে সবাই দেখে নেন এটি কতক্ষণ ব্যাকআপ দিতে পারবে সেটা। বর্তমান সময়ের সব মডেলের ল্যাপটপই ২ থেকে শুরু করে ১০ ঘন্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ দিতে সক্ষম। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে কোম্পানী যা বলে তা পাওয়া যায় না,মানে ব্যাকআপ টাইম যতটা বলা হয়েছিল ততোটা পাওয়া যাচ্ছে না। এর কারণ হচ্ছে কোম্পানী যেভাবে ব্যাকআপ টাইম হিসাব করে আমরা তো আর সেভাবে ব্যবহার করি না। আরো সহজ কথায় বলতে গেলে আপনি যদি গান শুনেন তাহলে যতক্ষণ ব্যাকআপ পাবেন,ভিডিও দেখলে তারচেয়ে কম ব্যাকআপ পাবেন। এভাবে যতোবেশি রিসোর্স হাংরি প্রোগ্রাম আপনি রান করাবেন ততোই কমে যাবে ব্যাকআপ টাইম।
তাই বলে কি আপনি কাজ বাদ দিয়ে দিবেন নাকি? তাহলে আর ল্যাপটপের দরকার রইলো কোথায়? সেজন্যই এই টিপস। কিভাবে কি কি করে আপনি আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারিটিকে আরেকটু বেশিক্ষণ বাঁচিয়ে রাখতে পারেন তাই বলব আজ।
প্রথমেই চলে আসবে অপারেটিং সিস্টেমের কথা। আপনি কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছেন তার উপরও ব্যাকআপ টাইম নির্ভর করবে। আপনার ল্যাপটপ যদি বেশি পুরানো না হয়ে থাকে তাহলে উইন্ডোজ এক্সপি বা ভিসতার চেয়ে আপনি সেভেন ব্যবহার করলে বেশিক্ষণ ব্যাকআপ পাবেন। আরেকটা কথা,ডেস্কটপ কম্পিউটারের ক্ষেত্রেও উইন্ডোজ সেভেন আগের যেকোনো উইন্ডোজের চেয়ে কম বিদ্যুত খরচ করে যা আপনার মাসিক বিদ্যুত বিলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিভিন্ন পরীক্ষার ফল কিন্তু তাই বলে।
আপনি হয়তো ভাবছেন এ আবার এমন কি প্রভাব ফেলতে সক্ষম? একটা উদাহরণ দিলে সব পানির মতো পরিষ্কার হয়ে যাবে আপনার কাছে। এপলের ম্যাকবুকে যখন ম্যাক ওএস চলে তখন এটি প্রায় ৮ ঘন্টা ব্যাকআপ দেয়। আর সেই ল্যাপটপই মাত্র দেড় ঘন্টা ব্যাকআপ দেয় যখন সেটিকে চালানো হয় উইন্ডোজে। মূলত অপারেটিং সিস্টেমের সাথে হার্ডওয়ারের সম্পর্ক এবং সার্বক্ষণিক চলতে থাকা বিভিন্ন সার্ভিসই এই পার্থক্য গড়ে দেয়।
ল্যাপটপের ব্যাটারী সেভ করতে গেলে আপনার আগে জানা দরকার এর কোন অংশতি সবচেয়ে বেশি বিদ্যুত খরচ করে। কোনো ধারণা আছে আপনার?প্রসেসর?ওয়াই-ফাই?স্পীকার?নাকি অন্য কিছু? না পাঠক এর কোনোটাই না,উত্তর হবে ডিসপ্লে। বিশ্বাস করেন আর নাই করেন ব্যাটারীর ৪৩%ই খরচ করে এর ডিসপ্লে। আর অন্য হার্ডওয়ারের মধ্যে মাদারবোর্ড ২১%, প্রসেসর ৯%, গ্রাফিক্স ৮%, হার্ডডিস্ক ৫% আর নেটওয়ার্ক ডিভাইস ৪% পাওয়ার খরচ করে।
উইন্ডোজ সেভেনে ল্যাপটপের ব্যাকআপের কথা মাথায় রেখে এর পাওয়ার প্ল্যানকে সেভাবে তৈরি করা হয়েছে উইজারের বিভিন্ন প্রয়োজনের কথাই মাথায় রেখে। উইন্ডোজ মোবিলিটি সেন্টার এর অন্যতম। কীবোর্ডের উইন্ডোজ+এক্স কী একসাথে প্রেস করলেই এটি ওপেন হবে।
উইন্ডোজ মোবিলিটি সেন্টার
উইন্ডোজ মোবিলিটি সেন্টার
এখান থেকে আপনি খুব সহজেই ডিসপ্লে ব্রাইটনেস,স্পীকার ভলিউম,পাওয়ার প্ল্যান সেটিংস,ওয়ারলেস নেটওয়ার্কিং, সিনক্রোনাইজেশন,প্রেজেন্টেশন মোড এবং এক্সটার্নাল ডিসপ্লে সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন। আর ডিসপ্লে ব্রাইটনেস যে আপনার ল্যাপটপের ব্যাকআপ টাইমের অন্যতম নিয়ামক তা নিশ্চয়ই এতোক্ষণে বুঝে গেছেন। তেমনি অযথা সারাক্ষণ ওয়ারলেস নেটওয়ার্কিং বা ওয়াই-ফাই চালু রাখারও নিশ্চয়ই কোনো কারণ নেই?
এর পরেই চলে আসি মূল অপশনে। পাওয়ার প্ল্যান সেটিংস হচ্ছে আপনার ল্যাপটপের ব্যাকআপের পেছনে মূল অনুঘটক। নোটিফিকেশন এরিয়াতে ব্যাটারী আইকনে ক্লিক করেই আপনি এর দেখা পাবেন। এখানে থেকেই খুব সহজে কতোক্ষণ ব্যাকআপ থাকবে,পাওয়ার প্ল্যান পরিবর্তন বা ডিসপ্লে ব্রাইটনেস পরিবর্তন করতে পারবেন। আর কথা না বলে এবার ঢুকে যাই পাওয়ার প্ল্যানের ভেতরে। ল্যাপটপে অফিসের যেকোনো কাজ বা বিনোদনের কাজের জন্য পাওয়ার সেভার প্ল্যানটিই উত্তম। এটি নিয়ে কাজ করতে আপনার কোনো সমস্যাই হবার কথা না। যদি আপনি রিসোর্স হাংরি কোনো কাজ করেন বা গেম খেলতে চান অথবা হাই ডেফিনেশন মুভি দেখতে চান তখন ব্যবহার করতে পারেন ব্যালেন্সড বা হাই পারফরম্যান্স সেটিংস।পাওয়ার প্ল্যান সেটিংস
কয়েক সংখ্যা আগে টেকনোলজি টুডেতে ডেস্কটপের জন্য পাওয়ার প্ল্যান সেটিংস নিয়ে বলেছিলাম আপনাদের। সেখানেই আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন এ সম্পর্কে। আমি এখানে ল্যাপটপের জন্য আলাদা পয়েন্টগুলা বলছি।
>> পাওয়ার সেভারে ক্লিক করে চেঞ্জ প্ল্যান সেটিংস-এ যান।
>> এখানে আপনি ব্যাটারী এবং প্লাগড ইন অবস্থার জন্য আলাদা-আলাদা সেটিংস অপশন খুঁজে পাবেন।
>> ডিম দা ডিসপ্লে মানে হচ্ছে কোনো কাজ না করলে কতোক্ষণ পর আপনার মনিটরের ব্রাইটনেস কমে যাবে সেটা। পরের ২টা অপশন ত বুঝতেই পারছেন। আর শেষটি হচ্ছে ডিসপ্লে ব্রাইটনেস। অন ব্যাটারীতে ব্রাইটনেস যতোটা সম্ভব কমিয়ে রাখুন।
>> এবারে নিচে চেঞ্জ এডভান্সড পাওয়ার সেটিংস-এ ক্লিক করুন। এখানে প্রায় ল্যাপটপের প্রতিটি কম্পোনেন্টের জন্যই কিছু না কিছু পাবেন আপনি। অন ব্যাটারীর জন্য সবই কমিয়ে রাখুন।
>> আর নেটওয়ার্কিং এন্ড শেয়ারিং সেন্টারে গিয়ে ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক কানেকশন বা ওয়াই-ফাই ডিজাবেল করে দিন। কেননা এটি অন থাকলে তা প্রতিনিয়তই ওয়াই-ফাই কানেকশন খুঁজে যেতে থাকে।

দক্ষতা বাড়ান মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারে




আপনার প্রিয় ব্রাউজার কি আমার মত মজিলা ফায়ারফক্স ?  যদি উত্তর হয় হ্যাঁ তাহলে এই টিউনটি আপনার জন্য।
আমি আজ শেয়ার করবো মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারের শর্টকাট উপায়। অনেকেই এই সম্পর্কে জানেন , যারা জানেন না তাদের জন্য আমি এই টিউনটি শেয়ার করছি।

Address বার এর সহজ ব্যবহার :

আমরা সাধারণত Address বার এ গিয়ে কোন একটি ওয়েবসাইটের Address লিখতে গিয়ে পুরো Address টা লিখি। যেমন ধরুন আপনি ফেসবুক এর পেজটি দেখতে চাচ্ছেন। Address বারে www.facebook.com লিখলেন। এন্টার প্রেস করলেন, চলে আসলো facebook এর লগইন পেজটি। আপনি চাইলে পুরো Address টি না লিখে শুথুমাত্র facebook লিখে Ctrl + Enter প্রেস করেই স্বার্থ সিদ্ধি করতে পারেন। তাহলে যেটা হবে এর আগে পরে যা কিছু থাকে আপনাকে তা টাইপ করতে হবে না। এক্ষেত্রে বলে রাখা দরকার যে ডোমেইন . com  হলে "Ctrl + Enter, .net হলে "Sheft + Enter এবং .org হলে Ctrl + Shift + Enter" প্রেস করতে হবে।

বুকমার্কে কি ওয়ার্ড এর ব্যবহার:

আপনি শুধু Address বারে কি ওয়ার্ডটি টাইপ করবেন। তারপর কথা নাই বার্তা নাই এন্টার। ব্যাস, কাঙ্খিত ওয়েবসাইটটি লোড হয়ে যাবে। এর জন্য যে কোন একটি বুকমর্কের উপর রাইট ক্লিক করে প্রপারটিজে ক্লিক করুন। সেখানে বুকমার্ক বক্সটিতে নিজের ইচ্ছামত কি ওয়ার্ড বসিয়ে দিন। এখন আপনি Address বারে শুধু সেই কি ওয়ার্ডটিই টাইপ করবেন। এরপর এন্টার প্রেস করবেন।

এক ট্যাব থেকে অন্য ট্যাব :

যারা একটি ব্রাউজারে একসাথে অনেকগুলো ট্যাব চালু করি তাদের প্রায়ই ঘন ঘন ট্যাব পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়। কাজটি মাউস দিয়ে সহজেই করা সম্ভব। যদি এই কাজটি দূততার সাধে করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই কিবোর্ড এ হাত দিতে হবে। আর এজন্য, আপনার শর্টকাট কী এর জ্ঞান থাকা চাই। আপনি যে ট্যাব এ আছেন তার পরবতীট্যাব এ গমনের জন্য Ctrl + Tab  প্রেস করুন। আর আগের ট্যাবটিতে ফিরে যাবার জন্য প্রেস করুন ctrl +shift++tab”  এখন ধরুন আপনি যে কোন একটি ট্যাব এ আছেন এবং "৬" নম্বর ট্যাব এ যেতে চান। এৰেত্রে ctrl+6  প্রেস করতে হবে।

ওয়েব পেজ দেখার স্থান:

অনেকেই ফায়ারফক্স এ বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে ইনস্টল করেন টুলবার। থাকে অনেক অনেক বুকমার্ক। ফলে ওয়েব পেজ দেখার জন্য যে স্থানটি রয়েছে সেটে সংকুচিত হয়ে যায়। মোটামুটি সাইজের একটি পেজ দেখতে গেলেও বারবার মাউস স্ক্রলিং করতে হয়। তাউ খুব বেশি প্রয়োজন না হলে আমি পাঠককে টুলবার ইন্সটল করতে নিরুৎসাহিত করে থাকি। এছাড়া ব্রাউজারের একদাম ওপরে যে মেনুটি রয়েছে তার পাশে ( যেখানে কোন বাটন বা লিংক নেউ) রাইট ক্লিক করে বুকমার্ক, মেইন মেনু ইত্যাদি আনমার্ক করে দিয়ে ওয়েব পেজ দেখার স্থান বৃদ্ধি করা যায়। এছাড়া রিলোড, স্টপ, ইত্যাদি আইকান সমূহ ছোট করেও কাজটি করা সম্ভব। আর এ জন্য ফায়ারফক্স এর মেইন মেনু থেকে ভিউতে যান। সেখান থেকে টুলবার > সাবমেনু > কাস্টমাইজ। এর পর Use small Icons  এ মার্ক করে Doneএ ক্লিক করুন।

পাইপলাইনিং পদ্ধতি ব্যবহার:

পাইপলাইনিং এমন একটি পদ্ধতি যাতে একই সাথে কোড, মিডিয়া ইত্যাদি লোড করা যায়। ফলে পেজটি দূততম লোডিং সম্ভব হয়। তবে এই পদ্ধতিটি ব্রডব্যান্ড সংযোগ ব্যবহার কারীদের জন্য। এ পদ্বতিActive করতেAddress বারে about:config টাইপ করে এন্টার প্রেস করুন। ফিল্টার বক্স এ network.http টাইপ করম্নন, এখন নিচ থেকে এক এক করে ক্লিক করুন network.http.pipelining এবং network.http.proxy.pipelining এ দুটি অপশন true করে দিন (ডাবল ক্লিক করে ) network.http.pipelining.maxrequest এ ডাবল ক্লিক করে ভ্যালু ১০ সেট করে দিন (বা আপনার পছন্দ মত মান ব্যবহার করুন), এখন ফাঁকা স্থানে (যেখানে কোন বাটন বা লিংক নেই) ক্লিক করে new-integer সিলেক্ট করুন। নাম দিন nglayout.initialpaint.delay  এবাং ভ্যালু দিন জিরো হয়ে গেল পাইপলাইনিং
(বিঃ দ্রেঃ যে কোন পরিবর্তনের পর ব্রাউজারটি রিস্টার্ট করতে হবে)

কিছু প্রয়োজনীয় কিবোর্ড শটকার্ট

পাঠকের ফায়ারফক্স ব্রাউজিং অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে নীচে কিছু শটকার্ট তুলে ধরলাম:

নেভিগেশন বিষয়ক

  • ব্যাক ( পেছনের পেইজে যেতে) - Alt+ বাBack Space
  • ফরওয়ার্ড Alt+ বা Shift Back Space
  • হোমপেজ Alt+Home
  • রিলোড Fs বা Ctrl+R
  • স্টপ (স্টপ লোডিং পেজ - Esc
  • বর্তমান পেজবিষয়ক :
  • পেজের শেষ প্রান্তে - End
  • পেজের উপারের প্রান্তে -Home
  • পরবতী ফ্রেম -F6
  • পূর্বের ফ্রেম - Shift+F6
  • পেজ ইনেফো বিষয়ক:
  • পেজ উৎস - Ctrl +U
  • প্রিন্ট - Ctrl+P
  • সেভ পেজ অ্যাজ - Ctrl+S
  • জুম ইন - Ctrl++
  • জুম আউট - Ctrl+-
  • জুম রিসেট - Ctrl+O

সার্চ বিষয়ক :

  • ফাইন্ড (ইন পেজ ) - Ctrl+F
  • ওয়েব সার্চ - Ctrl+K, Ctrl+E
  • উইন্ডো এবং ট্যাব বিষয়ক
  • ক্লোজ ট্যাব - Ctrl+W, Ctrl+F4
  • ক্লোজ উইন্ডো - Ctrl+Shift+W, Alt+F4
  • ডান পাশের ট্যাব - Ctrl+
  • বাম পাশের ট্যাব - Ctrl+
  • সর্ব প্রথম ট্যাব - Ctrl+ Home
  • সর্ব শেষ ট্যাব - Ctrl+End
  • নতুন ট্যাব - Ctrl+T
  • নতুন উইন্ডো ট্যাব - Ctrl+N
  • আনডু ক্লোজ ট্যাব - Ctrl+Shift+T
  • আনডুক্লোজ উইন্ডো - Ctrl+Shift+N

টুলস :

  • বর্তমান পেজ বুকমার্ক করতে Ctrl+D
  • ডাউন লোডস - Ctrl+J
  • হিষ্ট্রি - Ctrl+H

অন্যান্য :

  • টগল ফুল স্ক্রীন - হেল্প -F1 সিলেক্ট লোকেশন বার F6 বা Ctrl+L.
কারো উপকারে লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।  আর ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দিষ্টিতে দেখবেন।

আর সবকিছুর একটি সমাধান তা হলো BDLink Toolbar


বিডিলিংক টুলবার, একের ভেতর সব......আজই এটি ডাউনলোড করে নিন আর আপনার বন্ধুকে বলুন।




BD Link (BDLink) Toolbar is a great toolbar(100% free) for Bangladeshi user only

BD Link (BDLink) Toolbar is a great toolbar(100% free) for Bangladeshi user only.It is very easy to use and contain all essential links of ...