https://dripirrigation.com.bd/

https://dripirrigation.com.bd/
https://dripirrigation.com.bd/

Tuesday, February 7, 2012

আপনার ব্লগস্পট সাইটে যুক্ত করুন ফেসবুক কমেন্ট ফীচার !

টিউন করেছেন : | ব্লগস্পট কে ব্যাবহার করছেন । মূলত তাদের জন্যই আজকের এই টিউটোরিয়াল । আজকে আপনাদের দেখাবো কিভাবে ব্লগস্পটে বানানো সাইটে ফেসবুক কমেন্ট অপশন যোগ করবেন । চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে কিভাবে আপনার ব্লগে ফেসবুক কমেন্ট ফীচার চালু করবেন ।

প্রথমে এখানে ক্লিক করে ফেসবুক ডেভলপারস এ প্রবেশ করুন । নিচের ছবিতে দেখানো "Create New App" তে ক্লিক করুন । ছবিগুলো দেখতে সম্যসা হলে ছবির উপরে ক্লিক করে বড় করে দেখতে পারেন ।
"APP Name" এবং "APP Namespace" এর যায়গায় নিজের ইচ্ছামত কিছু একটা দিন এবং "Continue" তে ক্লিক করুন ।
এবার নিচের মত স্ক্রিন আসবে । এখানে প্রথম অপশন থেকে "PHP" সিলেক্ট করুন এবং তার নিচের ইমেইল এড্রেস বক্সে আপনার মেইল এড্রেস টি লিখুন ।
এবার নিচের ছবিটি অনুসরন করুন !
এবার নিচের ছবিতে চিহ্নিত এপস আইডি টি কপি করুন ।
এবার আপনার ব্লগারের ড্যাশবোর্ডে লগইন করে Template থেকে HTML এডিটর ওপেন করুন । এবার ট্যাগের পরে নিচের কোডটি বসিয়ে দিন ।
<meta content='YOUR_FACEBOOK_APPLICATION_ID' property='fb:app_id'/>
এখানে YOUR_FACEBOOK_APPLICATION_ID এর জায়গায় আপনার কপি করা এপস আইডি টি রিপ্লেস করুন । অনেক সময় কপি করতে কোড ভেঙ্গে যায় । সেরকম হলে এখান থেকে কোডটি ডাউনলোড করে নিন ।
 এবার নিচের ছবিতে দেখানো অংশে টিক চিহ্ন দিন ।
এবার আপনার টেমপ্লেট থেকে নিচের কোড টি খুজে বের করুন ।
<div class='post-footer-line post-footer-line-3'>
 
যদি উপরের কোডটি আপনার টেমপ্লেটে না থাকে তাহলে নিচের কোডটি খোজার চেষ্টা করুন ।

<p class='post-footer-line post-footer-line-3'>

এবার উপরের কোডটির পরে নিচের দেয়া কোডটি বসিয়ে দিন ।

<b:if cond='data:blog.pageType == "item"'>
<div id="fb-root"></div>
<script>(function(d){
 var js, id = 'facebook-jssdk'; if (d.getElementById(id)) {return;}
 js = d.createElement('script'); js.id = id; js.async = true;
 js.src = "//connect.facebook.net/en_US/all.js#xfbml=1";
 d.getElementsByTagName('head')[0].appendChild(js);
}(document));</script>
<fb:comments width='450' colorscheme='light' expr:title='data:post.title' expr:href='data:post.canonicalUrl' expr:xid='data:post.id'/>
</b:if>

কোড কপি করতে সম্যসা হলে এখান থেকে কোডটি ডাউনলোড করে নিন ।

এবার পুনরায় ছবিতে দেখানো যায়গা হতে টিক চিহ্ন তুলে দিন । মনে রাখবেন , এটি গুরুত্বপূর্ণ ।
এবার আপনার টেমপ্লেট হতে <html লেখাটি খুজে বের করুন এবং এটিকে  <html xmlns:fb="https://www.facebook.com/2008/fbml" দ্বারা রিপ্লেস করুন ।
কোড রিপ্লেস করার পরে
ব্যাস , হয়ে গেল ফেসবুক কমেন্ট সেটাপ । এবার আপনার ব্লগ ভিজিট করুন, দেখুন ফেসবুক কমেন্ট অপশন চলে এসেছে ।

Wednesday, January 25, 2012

Dolancer এর প্রতারণা থেকে সাবধান!

প্রশ্ন : dolancer.com থেকে আয় শরীয়ত সম্মত কি না ?

Posted by in Business
http://yousufsultan.com/posts/is-dolancer-halal/
প্রশ্ন : dolancer.com থেকে আয় শরীয়ত সম্মত কি না ?
আমি এই প্রশ্ন কয়েক জন স্মমানিত মুফতি সাহেবদের কাছে করে ছিলাম তারা এই বেপারে কোন কিছু বলতে পারেননি আর আমি তিনাদের কে এই বেপারটি অনেক চেস্টা করে ও বুঝাতে পারিনি আশা করি আপনি আমাকে এই সাইটির বেপারে জানিয়ে ঈমান ও আমাল হেফাজতে সাহায্য করবেন।
===================================
আজকাল সবাই ইন্টারনেট এ আয় করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে । তাই যারা ইন্টারনেট এ আয় করতে ইচ্ছুক তাদের সাথে একটি সাইট এর পরিচয় করিয়ে দিবো ।
www.dolancer.com
পরিচয় : এটি মূলত সর্বপ্রথম শুরু হয় আমেরিকা । সুদীর্ঘ বার বছর ধরে তারা তাদের সার্ভিসটি এখনও চালু রাখতে পেরেছে । এই সাইটটি সম্পর্কে বারাক ওবামা সহ আরও বিখ্যাত ব্যাক্তিদের মন্তব্য বিস্তারিত দেখুন :
আরও জানতে : http://www.dolancer.com/index.php/about
এটি বাংলাদেশ এর যাত্রা খুব বেশীদিন হয়নি শুরু করেছে কিন্তু এরই মধ্যে 17800 মেম্বার পেয়েছে এবং প্রতিদিন আরও পাচ্ছেন ।
ঢুকতে যা যা লাগবে : এটি ফ্রি কোনো সাইট না তাই এখানে তিনটি প্যাকেজ আছে
১ । বেসিক ( ৭০০০ টাকা )
২ । মডারেট ( ২১০০০ টাকা )
৩ । এডভান্স ( ৩৫০০০ টাকা )
কি কি পদ্ধতিতে আয় করতে পারবেন ?
আপনারা এখান থেকে ৫টি পদ্ধতিতে আয় করতে পারবেন । নিচে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল :
পদ্ধতি ১ : ক্লিক টু আর্ন /পেইড টু ক্লিক ( পিটিসি)
এটা আমাদের নিকট খুবই পরিচিত । আপনাকে কিছু বিজ্ঞাপনের লিংক দেওয়া হবে তাতে ক্লিক করলেই আপনি ইন্সট্যান্ট টাকা পাবেন । সদস্যতা অনুযায়ী আপনি বিজ্ঞাপনের লিংক পাবেন । যেমন
১ । বেসিক –> আপনারা এই প্যাকেজ এর সদস্য হলে প্রতিদিন ১০০ টি লিংক পাবেন এবং প্রতিটি বিজ্ঞাপনে ক্লিক এর জন্য মিনিমাম ০.১ সেন্ট ( ৭০পয়সা )
২ । মডারেট ( ২১০০০ টাকা ) আপনারা এই প্যাকেজ এর সদস্য হলে প্রতিদিন ৩০০ টি লিংক পাবেন এবং প্রতিটি বিজ্ঞাপনে ক্লিক এর জন্য ০.১ সেন্ট
৩ । এডভান্স ( ৩৫০০০ টাকা ) আপনারা এই প্যাকেজ এর সদস্য হলে প্রতিদিন ৫০০ টি লিংক পাবেন এবং প্রতিটি বিজ্ঞাপনে ক্লিক এর জন্য ০.১ সেন্ট
লিংক গুলো দেখতেও খুব বেশী সময় নেয় না ।
তার মানে এখানে কাজ করে এক জন প্রতিমাসে বেসিক একাঊন্ট থেকে (সরবাধিক) ২১০০ টাকা আয় করতে পারবে।
যদি সে ৩০ দিন কাজ করে । যদি সে ১ দিন কাজ না করে তবে সে ৭০ টাকা কম পাবে এমনি সে জত দিন কাজ করবে তত দিনের টাকা পাবে। এটা তার ফিক্সড ইনকাম।
এ ছারা সে : রেফারেন্স এর মাধ্যমে/Networking এর মাধ্যমে আয় করতে পারে। এ খানে dolancer কোম্পানী Affiliate marketing system flow করে থাকে
affiliate marketing and MLM system এক নয় এ বেপারে জানতে নিচের লিঙ্ক এ ক্লিক করুন
পদ্ধতি ২ : রেফারেন্স এর মাধ্যমে/Networking
আপনার রেফারেন্স এ যদি কেউ ঢুকে তবে আপনি সাথে সাথে পাবেন ১০% বোনাস এটি ডিরেক্ট স্পন্সর বোনাস অর্থাৎ আপনি যদি বেসিক এ ঢুকান তবে পাবেন ৭০০টাকা । যদি মডারেট প্যাকেজ এ ঢুকান তবে পাবেন ২১০০ টাকা আর এডভান্স এ পাবেন ৩৫০০ টাকা এছারা ম্যাচিং বোনাস ১০% এরপর আপনি যদি দুইজন কে ঢুকান তবে আপনি পাবেন পাবেন বেসিক প্যাকেজ হতেই ২১০০টাকা আপনি যাদের কে ঢুকিয়েছেন তারা যদি অন্য কাউকে ঢুকান তবে তারাও যেমন টাকা পাবেন তেমনি আপনিও পাবেন । আপনি যাদেরকে ঢুকিয়েছেন বা আপনার রেফারেন্স এ ঢুকে যারা আবার তাদের রেফারেন্স এ যাদের কে ঢুকিয়েছেন তারা যা আয় করছে বা করেছে তা থেকে আপনিও স্পনন্স্যার হিসেবে বোনাস টাকা পাবেন । বোনাস এর হার ঃ
  • প্রথম ডিরেক্ট স্পন্সর এর আয় এর ৫% দুই পাশেই
  • ২য় ডিরেক্ট স্পন্সর এর আয় এর ৩%
  • ৩য় ডিরেক্ট স্পন্সর এর আয় এর ২%
  • ৪র্থ ডিরেক্ট স্পন্সর এর আয় এর ১%
  • ৫ম ডিরেক্ট স্পন্সর এর আয় এর ০.০৫%
৩ । পদ্ধতি – ৩ : ফ্রিল্যান্সার হিসাবে
এটি বাংলাদেশে নতুন একটি কোম্পানি তাই এখানে এখনো খুব বেশী প্রজেক্ট দেওয়া হয়নি কিন্তু খুব শিঘ্রই এখানে আরও প্রোজেক্ট দেওয়া হবে এবং আপনারা ফ্রিল্যান্সার হিসাবে বিভিন্ন প্রজেক্ট এর কাজ করতে পারবেন । সবগুলো প্রজেক্টই ভেরিফাইড তাই টাকা মাইর যাওয়ার চান্সই নেই ।বর্তমানে project আসা শুরু হয়েছে এবং আরও বাড়বে ।
৪ । পদ্ধতি – ৪ : ওয়েব সাইট লিসিং পদ্ধতিতে
এটি একটি নতুন পন্থা । এ পদ্ধতিতে আপনি company থেকে সাইট লিজ নিয়ে আবার company-কেই লিজ দিতে পারেন ।তাহলে company আপনাকে daily যা দিয়ে লিজ নিবেন তার .50% pay করবে 24 মাস ।যেমন 500 ডলার দিয়ে নিলে per day আপনাকে 2.50 ডলার দিবে ।আপনি চাইলেই এভাবে প্রচুর টাকা আয় করতে পারবেন । এ থেকেই বুঝে নিন লিস থেকে কত টাকা পেতে পারেন ।
এতে যোগ দিলে আপনি আরও কিছু মারাত্নক সুবিধা পাবেন । যেমন : dolancer logo সহ ভিসা কার্ড পাবেন মাত্র ১০০০ টাকায়! আরও অনেক ফিচার এতে আছে ।
৫ । post to earn : খুবই দ্রুত সহজ আর একটা কাজ আসতেছে তাহলো ডাটা এন্ট্রি এর মতো post বা comment করলে আপনাকে প্রতিটার জন্য তিন থেকে চার সেন্ট দিবে এভাবে এখান থেকে প্রচুর আয় সম্ভব ।
টাকা তোলার পদ্ধতি :
টাকা আপনি সরাসরি ওদের ঢাকার মূল অফিস থেকে বা ব্যাংক হতে বা ক্রেডিট কার্ড এর মাধ্যমে তুলতে পারবেন ।
সাইট এড্রেস : www.dolancer.com
=====================================
উত্তর :  বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
প্রথমেই আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি যে, আপনি একটি ব্যবসায় বিনিয়োগের পূর্বে তা হালাল নাকি হারাম তা জানার চেষ্টা করেছেন। আল্লাহ তা’আলা সুস্পষ্ট ভাবে বলেন,
الَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبَا لَا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبَا وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا
যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছেঃ ক্রয়-বিক্রয় ও তো সুদ নেয়ারই মত! অথচ আল্লা’হ তা’আলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। (২:২৭৫)
এ আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, হালাল বিনিয়োগ তথা ক্রয়-বিক্রয় আর হারাম বিনিয়োগ তথা সুদ ইত্যাদির বাহ্যিক চেহারা একই মনে হতে পারে। কিন্তু আল্লাহ এর একটিকে হালাল ঘোষণা করেছেন, আর একটিকে হারাম করেছেন। কাজেই যে কোনো মুসলিমের উচিৎ হালাল-হারাম জেনেই তবে বিনিয়োগ করা।
আপনার প্রশ্নে উল্লিখিত সাইটটি সম্পর্কে কিছু কথা বলে নিই।
১. সাইটটি দাবী করছে যে তারা ১৯৯৮ তে শুরু করেছে। সে অনুযায়ী তাদের অভিজ্ঞতার বয়স ১৩ বৎসর। কিন্তু কোন সাইট দিয়ে তারা শুরু করেছে কিংবা আগে কী সাইট ছিল, তা অস্পষ্ট। আর dolancer.com এর বয়স মাত্র কয়েক মাস। ২০শে ফেব্রুয়ারি ২০১১ সাইটটির ডোমেইন কেনা হয়েছে, যা ২০১৭ এর একই তারিখ পর্যন্ত রেজিস্টার্ডকৃত।
দেখুন : http://who.godaddy.com/whois.aspx?domain=dolancer.com&prog_id=GoDaddy
Registered through: GoDaddy.com, Inc. (http://www.godaddy.com)
Domain Name: DOLANCER.COM
Created on: 20-Feb-11
Expires on: 20-Feb-17
Last Updated on: 27-Sep-11
২. এই কয়েক মাসের মধ্যেই তাদের দাবী এই যে, তারা ৪,৮৭৭,১২৯ জন ফ্রীল্যান্সার ও এম্লোয়ারকে মিলিত করেছে ইউএস, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও জার্মানী থেকে। দেখুন : http://184.173.136.254/index.php/about
We connect over 4,877,129 employers and freelancers globally from over USA, Canada, Australia & Germany.
অথচ সাইট ইনফোরমেশন দাতা সাইটগুলোর তথ্য বলে তাদের প্রায় ৮০ শতাংশ বা আরো বেশি ভিজিটর বাংলাদেশের। দেখুন : http://www.alexa.com/siteinfo/dolancer.com
৩. বাংলাদেশে তাদের অফিস খোলার পর থেকে এখন পর্যন্ত অনেক ইউজারই কোনো পেমেন্ট পান নি। অনেকে ৫ মাস ধরে রেজিস্টার করেছেন, কোনো টাকা তুলতে পারেননি। তদুপরি শুরু থেকেই সাইটটি ক’দিন পরপর ‘ঠিক করা হচ্ছে/ আপগ্রেড করা হচ্ছে’ বলে বন্ধ থাকছে। আবার অনেকে অভিযোগ করছে যে, তাদের পে-টু-ক্লিক এর বিজ্ঞাপণ পাচ্ছেন না। অনেকে টাকা ফেরত চাচ্ছেন, বাবার পিটুনি খাওয়ার আশঙ্কাও করছেন। দেখুন তাদের অফিসিয়াল এফবি পেইজ এবং তাতে ইউজারদের মন্তব্যগুলো পড়ুন:  https://www.facebook.com/dolancerbd
এবার আসা যাক, সাইটটির অফারকৃত বিভিন্ন কাজের বর্ণনায়।
১. ক্লিক টু আর্ন /পেইড টু ক্লিক ( পিটিসি) : এ সম্পর্কে এই পোষ্টটি পড়তে পারেন : http://yousufsultan.com/posts/affiliate-marketing-and-islam/
এটি মৌলিক ভাবে জায়েয। তবে কী ধরনের বিজ্ঞাপণে ক্লিক করছেন, তার ভিত্তিতে বিধান পরিবর্তিত হতে পারে।
২. রেফারেন্স এর মাধ্যমে/Networking : বিষয়টি MLM সিস্টেমই মনে হচ্ছে। পূর্বে লিংক দেয়া পোষ্টেই এর উত্তর পেয়ে যাবেন।
৩. ফ্রিল্যান্সার হিসাবে : এটি মৌলিক ভাবে জায়েয। তবে সাইটটি এখনো এ কাজে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি। আজ যখন লেখাটি লিখছি, তখন সাইটে কোনো প্রজেক্ট নেই।
৪. : ওয়েব সাইট লিসিং পদ্ধতিতে : লিজ নেয়া/দেয়ার ক্ষেত্রে পৃথিবীর অধিকাংশ ফাইন্যান্সিয়াল প্রতিষ্ঠানে সুদ যুক্ত থাকে। এ বিষয়ে তাদের বিস্তারিত এ্যাগরিমেন্ট না দেখে বলা যাচ্ছে না। সাইটে এ বিষয়ে কিছু বলা নেই।
৫. ডাটা এন্ট্রি/ পোষ্ট বা কমেন্ট করা মৌলিক ভাবে বৈধ। এর সাথে অন্য কোনো শর্ত/কন্ডিশন থাকলে তার ওপর বৈধতা আবর্তিত হবে।
পরিশেষে বলব, এ ধরনের সাইটগুলো এখন পর্যন্ত ধোঁকার চেয়ে বেশি কিছু বেশি মানুষকে দিতে পারে নি। এর চেয়ে বরং অন্য কোনো হালাল ব্যবসা করলে কেমন হয়? বর্তমানে ইন্টারনেটের প্রসারে কতরকম ব্যবসার কথা চিন্তা করা যায়।
  • ১. ফ্ল্যাট রেন্টিং
  • ২. রিয়েল এস্টেট
  • ৩. কুরবানীর পশু
  • ৪. দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিস
  • ৫. কাঁচা বাজার
  • ৬. খাতা-কলম
ইত্যাদি ইত্যাদি।
৫-৬ জন বন্ধু মিলে সবার বেসিক প্যাকেজের টাকা একত্র করলেই কিন্তু এর চেয়ে ভালো ব্যবসার কথা অনলাইনে চিন্তা করা যায়। মুনাফাও থাকবে, হালালও হবে, সম্মানও জুটবে।
শেয়ার বাজারের মতো বেকার যুবকদের বাবা-মার কষ্টসাধ্য টাকা-পয়সা এনে এসব জায়গায় বিনিয়োগ করে অলস হয়ে কী লাভ?
আল্লাহ আমাদের সঠিক পথের দিশা দিন। আমীন।

Friday, December 16, 2011

যে কোন সফ্‌টওয়্যার ডাউনলোড করুন সিরিয়াল (Activator) সহ।

সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা।সকলেই ভালো আছেন এই প্রত্যাশা নিয়ে শুরু করছি আজকের এই টিউনটি।অনেক দিন পর টিউন লেখছি। যদিও জানি আমি গুছিয়ে টিউন করেত পারিনা।আপনাদের দো'য়া এবং উৎসাহ থাকলে হয়ত একদিন পারব।থাক এসব কথা আসল কথায় আসা যাক। ভাই আজ আমি আপনাদের কয়েকটি ওয়েব সাইটের সাথে পরিচিত করব। যে সাইট গুলো থেকে আপনি যে কোন সফ্‌টওয়্যার সিরিয়াল সহ ডাউনলোড করতে পারবেন। সফ্‌টওয়্যার ছাড়াও মুভি, গেম ডাউনলোড করতে পারবেন। প্রথমে নিচের এড্রেস গুলোতে যান-
1. www.thepiratebay.org
2.www.h33t.com
3. www.oldapps.com
সার্চ বক্সে আপনার প্রয়োজনীয় সফ্‌টওয়্যার, মুভি, গেমটির নাম লিখে সার্চ দিন। দেখুন আপনার প্রয়োজনীয় সফ্‌টওয়্যা, মুভি, গেম এর ফাইলের নামটি চলে এসেছে। সেখান থেকে আপনার পন্দের টরেন্ট ফাইলটি ডাউনলোড করুন। তারপর যেকোন টরেন্ট ডাউনলোডার সফ্‌টওয়্যার দিয়ে ডাউনলোড শুরু করুন।
সবশেষে একটি কথা, আর বাংলাদেশের ওয়েব এড্রেসের জন্য একটি বিভিন্ন রকম ওয়েব ডিরেক্টরী, একবার হলেও দেখবেন। না দেখলে মিস করবেন।সাইটটিতে যেতে এখানে ক্লিক করুন।
উল্লেখ্য যে, আমি নিজেই thepiratebay.org সাইট থেকে Windows XP SP3, Adobe Creative Suite 4 Design Premium With Activation Patch, Microsoft Office 2010 Professional Plus With 180 days Activation, Corel Draw X5 with Keygen ডাউনলোড করেছি এবং আমি নিজে ব্যবহার ও করছি। টিউনটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

হ্যাক করুন বিশ্বের যে কোন পাসওয়ার্ড ।

.................শুরুতে জানুন কিছু দরকারী কথা...................

আমাদের অনেকের মাঝে একটা বদ্ধমুল ধারনা আছে যে হ্যাকিং জিনিশ টা খুব খারাপ এবং আকামলা দের কাজ। যাদের এই বদ্ধমুল ধারনা তাদের সাথে আমি যুদ্ধ ঘোষনা করছি। প্রত্যেকটা জিনিশেরই একটা ভাল এবং খারাপ দিক আছে। আমরা স্বভাবতই ভাল জিনিশটা জানবো এবং তার সাথে খারাপ দিকটা জানা ভাল কারন ওই জিনিশের খারাপ দিকটা জানতে হবে আমাদের নিরাপত্তার জন্য। একটা উদাহরন দিয়ে বলি, আগে থেকেই হ্যাকিং এর উপর আমার খুব আগ্রহ। টিটিতে আসার আগে আমি হ্যাকিং বিষয়ক কোন কিছুই জানতাম না। পিশিং এর কথাই ধরি। আগে আমি পিশিং সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। এখন জানি এবং পিশিং হ্যাক করতে পারি। তাই আগে আমার অ্যাকাউন্ট যে কোন সময় পিশিং হ্যাক হতে পারত কিন্তু এটা এখন সম্ভব না কারন পিশিং URL সম্পর্কে আমার এখন পুর্ণ ধারনা আছে। তাই আমি যদি হ্যাকিং সম্পর্কে কিছুই না জানি তবে নিজেকে কিভাবে রক্ষা করবো? ঠিক এই কারনেই আমাদের দেশি ওয়েবসাইট গুলো প্রতিনিয়ত বিদেশি হ্যাকার দ্বারা আক্রান্ত হয়। আমাদের দুংখ যে আমাদের কিছু প্রফেশনাল ভাল হ্যাকার নাই। ইউরোপ আমেরিকায় লক্ষ লক্ষ ডলার বেতন দিয়ে বিভিন্ন কোম্পানী হ্যাকার রাখে তাদের কোম্পানীর নিরাপত্তার জন্য। তাই আমি মনে করি আমাদের দেশের প্রত্যেকটা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হ্যাকিং সম্পর্কে নুন্যতম জ্ঞান থাকা উচিত। তবে হ্যাঁ আমাদের সবাইকে নৈতিকভাবে সবল থাকতে হবে যেন এটির ব্যাড ইউজ না করি। কারো ক্ষতি করার জন্য হ্যাকিং কাজে লাগানো যাবেনা। আসলে যদি ঠিক ঠাক বুঝা যায় তবে হ্যাকিং জিনিশটা অত্যান্ত মজার এবং নেশার মত, একটু জানলে আরো জানতে ইচ্ছা করে। আলমাসের ভাষায় হ্যাকিং কোন বাহাদূরি করার জিনিষ নয় বরং শিক্ষা নেবার জিনিষ। অনেক কথা বললাম, চলুন আর কথা না বাড়িয়ে চলে যাই মুল টিউনে....................


যদি আপনারা চান তবে হ্যাকিং নিয়ে আমি কিছু ধারাবাহিক টিউন করবো। সেই সুবাদে প্রথমে কিছু প্রফেশনাল হ্যাকিং সফটওয়্যার আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। মনে রাখবেন এগুলো প্রফেশনাল হ্যাকারদের তৈরি এবং এর কিছু কিছু খুব শক্তিশালী, এগুলো দিয়ে খুব সহজেই অন্যের পিসির বারোটা বাজানো যায়। না জেনে বেশি Experiment করতে গেলে নিজের পিসির সর্বনাশ হতে সময় লাগবে না। তখন কিন্তু আমাকে দোষ দিতে পারবেন না। আমি আপনাদের সাথে এগুলো শেয়ার করছি জাস্ট আপনাদের জানার জন্য যাতে আপনারা এসব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন।

“দয়া করে কারো ক্ষতির উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবেন না”

আজ আমি আপনাদের সাথে যে সফটওয়্যারটি শেয়ার করবো তার নাম "Wify Password Recovary"। চলুন প্রথমে জানি,

ওয়াইফাই কি এবং কিভাবে কাজ করে


WLAN বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক কী:

একটি সীমিত এলাকা অর্থাৎ একই ভবন, পাশাপাশি অবস্থিত ভবন অথবা একটি অফিস বা এপার্টমেন্টে অবস্থিত কমপিউটারসমূহ, প্রিন্টার ও অন্য কোন বিশেষ ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে তারের পরিবর্তে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্থাপিত আন্তঃসংযোগ ব্যবস্থাকে ওয়ারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) বলে।

উপরের ছবিটি একটি ব্রডব্যান্ড লাইন থেকে একাধিক কমপিউটারে ইন্টারনেট কানেকশনের একটি ওয়ারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক। এই ধরনের নেটওয়ার্কে প্রয়োজন একটি মডেম ও একটি ওয়ারলেস রয়টার। যে কোন কমপিউটারে ওয়্যারলেস এডাপটার অথবা ওয়্যারলেস কার্ড ইন্সটল থাকলে এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন শেয়ার করতে পারবে।

একটি ওয়াইফাই রয়টার/একসেস পয়েন্ট/এন্টিনার মাধ্যমে কোন বিশেষ স্থানে যখন ওয়ারলেস ইন্টারনেট কানেকশনের সুবিধা প্রদান করা হয় তখন সেই স্থানকে Hot Spot বলা হয়। একাধিক একসেস পয়েন্ট/এন্টিনার মাধ্যমে সৃষ্ট হটস্পটগুলোকে সমন্বয় করে যখন বড় এলাকা ভিত্তিক একটি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক তৈরি হয় তখন সেই এলাকাকে Wi-Fi Zone বলা হয়।

মোবাইল ব্রডব্যান্ড বনাম ওয়াইফাই হটস্পট:

মোবাইল ব্রডব্যান্ড সেবা সাধারণত মোবাইল ফোনের কোম্পানীগুলো দিয়ে থাকে। সুতরাং প্রায় সব জায়গা থেকে (মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক) মোবাইল ফোন বা ওয়ারলেস মডেমের সাহায্যে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়া যায়। ওয়াইফাই হটস্পটে এই সুযোগ একটি সীমিত এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। ইদানীং বড় বড় শহরের বাস/ট্রেন স্টেশন, শপিং সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমূহে ওয়াইফাই জোন সৃষ্টি করা হচ্ছে। মোবাইল ব্রডব্যান্ড সার্ভিসের মাসিক চার্জ বেশী। এছাড়া একদেশ থেকে অন্য দেশে গেলে মোবাইল ব্রডব্যান্ড সার্ভিস কাজ করে না, যদি কাজ করে তবে চার্জ হয় খুবই বেশী। তাই নিজস্ব ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোন থেকে প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ওয়াইফাই হটস্পট থেকে ইন্টারনেট কানেকশন সস্তা। ইদানিং বিভিন্ন শহরের ওয়াইফাই হটস্পটের তালিকা নেটে পাওয়া যায়।

ওয়াইফাই কনফিগারেশন

ইদানিং নতুন মডেলের অনেক ল্যাপটপে ওয়াইফাই কার্ড আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকে। আর না থাকলে আলাদা ওয়াইফাই এডাপটার/কার্ড কিনতে পাওয়া যায়। কার্ডের সাথে ইনস্টল-কনফিগারেশনের নিয়ম লেখা থাকে। এটা তেমন কঠিন নয়, এডাপটার/কার্ড সংযুক্ত করে কমপিউটার অন করলে অটো-ডিটেক্ট হয়ে কনফিগারেশন উইনডোজ চলে আসে।

"তথ্য এবং চিত্র সংগ্রেহিত"

ওয়াইফাই জোন


কিছু ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক জোন থাকে ফ্রি।

ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে যদি কোন ওয়াইফাই সেবা দেওয়া হয় তবে সেই নেটওয়ার্ক পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড থাকে যাতে ক্লায়েন্ট ছাড়া কেউ ইউজ না করতে পারে। শুধু মাত্র ক্লায়েন্ট তার পাসওয়ার্ড দ্বারা নেটওয়ার্কে অ্যাক্সেস করতে পারে।
আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব এমন একটি প্রোফেশনাল হ্যাকিং সফটওয়্যার যার মাধ্যমে দুনিয়ার তাবৎ পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের, পাসওয়ার্ড ক্র্যাক করতে পারবেন এবং বিনা মুল্যে পুরো সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।  কথা না বাড়িয়ে চলে যাই সচিত্র বর্ননায়।

এটি নিয়ে কাজ করার আগে সবার প্রথমে আপনার পিসির এন্টিভাইরাসের প্রোটেকশন পজ বা টোটালি অফ করুন।

এন্টিভাইরাসের প্রোটেকশন পজ বা টোটালি অফ করার কথা বলা হয়েছে এই কারনে, কারন এন্টিভাইরাস এটিকে হারমফুল সফটওয়্যার হিসাবে ডিটেক্ট করবে এবং আপনাকে কাজ করতে দিবেনা।
তারপর ডাউনলোড করে নিন "Wifi Password Recovary" সফটওয়্যারটি।



সফটওয়্যারটির বাজার মুল্য  1099$ মানে বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৭৭০০০ টাকা!!  আর আমি এটি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি বিনামুল্যে।

১. প্রথমে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করুন এবং রান করান। প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইন্সটল করুন।

২. "Rules" Tab এ যান এবং "Enable advanced rules" এ টিক দিন।

৩. "Formula" বক্সে নিচের কোডটি পেস্ট করুন, "tods=1 and dmac=FF:FF:FF:FF:FF:FF" (চিত্রের মত) এবং "Name" বক্সে টাইপ করুন "a" (চিত্রের মত)। তারপর "Add/Edit" ক্লিক করুন।

৪. উপরের মত উইন্ডো আসবে। চিত্রের মত "a" তে টিক দিন।

৫. এবার "Settings" এ গিয়ে "option" ক্লিক করুন।

৬. "Memory Usages" Tab এ যান এবং হুবহু চিত্রের মত করে সেটিং করে Ok করুন। (যদি রিস্টার্ট চায়,  রিস্টার্ট করুন)

৭. ডান দিকে উপরে তিনটি ফানেল দেখা যাচ্ছে, D লেখা প্রথম ফানেলটি চেক করে বাকি দুটি আনচেক করুন।

৮. তারপর Search বাটনটি ক্লিক করুন এবং যে নেটওয়ার্ক টি ক্র্যাক করতে চান তা খুজে বের করুন।

৯. তারপর তা "Channels" Tab এ ড্র্যাগ করে সিলেক্ট করুন এবং চিত্রানুযায়ী  Capture বাটন ক্লিক করুন।
১০. এখন অন্য যে এডাপ্টার যেটি কোন কিছু Capture করছে না সেটি দিয়ে পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড নেটওয়ার্কে কানেক্ট করুন, যখন পাসওয়ার্ড চাইবে তখন আপনার ইচ্ছামত কিছু যেমন 123456 দিয়ে দিন।
১১. তখন এই মেসেজ দেখাবে "Connected with limited connectivity" ( আমার পিসিতে ওয়াইফাই কার্ড এবং আমার এলাকায় ওয়াইফাই জোন  নেই বিধায় স্ক্রীনশট দেখাতে পারলাম না)

১২. পুনরায় মেইন মেনুতে যান এবং "Packets" Tab এ যান, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে,  উপরের চিত্রের মত কিছু Packet এর Couple দেখতে পারবেন।


১৩. “ARP REQ” নামের Packet এ রাইট ক্লিক করুন তারপর "Send Packet(s)" এ গিয়ে Selected ক্লিক করুন।

১৪. উপরের মত একটি মেনু আসবে।

১৫. এখন চিত্রের মত Value গুলি চেঞ্জ করুন। তারপর "Send" বাটন ক্লিক করুন।

১৬. পুনরায় মেইন মেনুর "Rules" Tab এ যান এবং আপনার তৈরিকৃত Rule টি আনচেক করুন।

১৭. প্রথম ২০০০০ Packet সিলেক্ট করুন এবং Save করুন। অবশ্যই মনে রাখবেন যে কথায় এটি সেভ করেছেন। "Save as" করার সময় "ncf" ফাইলের পরিবর্তে "dump cap" ফাইল হিসাবে সেভ করুন। ( আমার পিসিতে ওয়াইফাই কার্ড এবং আমার এলাকায় ওয়াইফাই জোন  নেই বিধায় ২০০০০ Packet এর লিস্ট দেখাতে পারলাম না)
১৮. এখান থেকে Aircrack-NG জিপ ফোল্ডারটি নামিয়ে নিন। এবং Extract করুন।
১৯. bin ফোল্ডারে যান এবং aircrack-ng-GUI.exe ফাইলটি চালু করুন। তারপর যে Packet গুলো সেভ করেছিলেন সেগুলো ওপেন করে সিলেক্ট করুন এবং launch বাটন ক্লিক করুন।
২০. একটি IV এর লিস্ট দেখতে পাবেন তারপর যে নেটওয়ার্ক ক্র্যাক করতে চান সেটি সিলেক্ট করুন।
২১. Connected ক্লিক করুন, যাদুর মত connected হয়ে যাবেন আপনার কাংখিত নেটওয়ার্কে।

**আমার পিসিতে ওয়াইফাই কার্ড এবং আমার এলাকায় ওয়াইফাই জোন  নেই বিধায় কিছু স্ক্রীনশট দেখাতে পারলাম না।

এটির সাহায্যে আর যেসব কাজ করতে পারবেন..............................

এটির সাথে যে স্ক্রীনশটহীন ইংলিশ টিউটোরিয়াল ছিল এই হল তার মোটামুটি স্ক্রীনশট সহ বাংলা টিউটোরিয়াল। ইংলিশ টিউটোরিয়াল সাথে দেওয়া আছে, কোন সমস্যা হলে দেখে নিতে পারেন। এছাড়া হেল্প মেনুতে আরো ডিটেইল দেওয়া আছে।

এখানে একটা কথা বলতে চাই যে "চুরি বিদ্যা মহা বিদ্যা যদি না পড়ে ধরা"

তাই সাবধানে ইউজ করুন। আর ভুলেও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সেনাবাহিনী বা এ টাইপের কোন নেটওয়ার্ক ক্র্যাক করবেন না। ধরা খাইলে কিন্তু আমি দায়ি থাকবো না।
টিউনটি সময় নিয়ে যথাসম্ভব গুছিয়ে করার চেষ্টা করেছি।কতটুকু পেরেছি তা আপনারা ভাল বলতে পারবেন। কোন ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর চোখে দেখবেন এবং একটা অনুরোধ, ভাল মন্দ যে কোন ধরনের কমেন্ট এবং সমালোচনা বেশি বেশি করবেন,যার ফলে এই টিউনের ভুল গুলো আমার চোখে পরবে এবং নেক্সট টিউনে সেগুলো শুধরে নেওয়ার চেস্টা করবো ফলে ভবিষ্যতে আরও ভাল টিউন আপনাদের উপহার দিতে পারব।
ভাল থাকবেন। ধন্যবাদ সবাই কে।
আকাশ
আমার আগের টিউন গুলি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

নোকিয়া ফোনের ফ্লাশিং সফটওয়্যার- নিজেই হয়ে যান নোকিয়া কেয়ার!!!

আসসালামু আলাইকুম। টেকটিউনসের প্রতি বিশাল ভালবাসা প্রকাশ করে আমার প্রথম টিউন আপনাদের মাঝে নিবেদন করছি।
অনেক আগে থেকেই এই টিউনটি করতে চাচ্ছিলাম  কিন্তু ভয়ে করতে পারিনি। আজ অনেক সাহস নিয়ে টিউনটি লেখা শুরু করলাম ।
আমরা বেশিরভাগই নোকিয়া মোবাইল ফোন ব্যবহার করি এবং বর্তমানে Made By Nokia -ই বেশি। আর এর একটা বড় অসুবিধা হল মঝে মাঝে এতে Install করা firmware টি নষ্ট হয়ে যায়, যে কারণে ফোন হ্যাং হওয়া, Restart হওয়া, Calculator, Music Palyer সহ আরো প্রয়োজনীয় Application হারিয়ে যায়। অবশেষে ফোন একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। যা ঠিক করার জন্য আমাদের নোকিয়া কেয়ার বা স্থানীয় ফোন সার্ভিস সেন্টারে যেতে হয়। Warranty থাকলে নোকিয়া কেয়ারে কোন টাকা লাগে না কিন্তু না থাকলে সর্বনিম্ন ৩৫০ টাকা লাগে আবার বাইরে থেকে Flash দিলে মিনিমাম ২০০ টাকা লাগে (তাও আবার জেনুইন Firmware নয়)।
আর একবার Flash দিলে বার বার দেয়া লাগবে না এর কোন নিশ্চয়তা নেই।তাহলে বুঝতেই পারছেন এমন একটা Software আমাদের লাগবে যা দিয়ে আমরা নিজেরাই Flash দিতে পারব।
যাই হোক আমি আপনাদের সেইরকম একটি সফটওয়ার এর কথা বলব যেটি দিয়ে শুধুমাত্র Cable Connection এর মাধ্যমেই আপনার ফোনের Firmware  Install করতে পারবেন, কোন Flashing Board লাগবে না। সফটওয়ারটির নাম Phoenix Service Software। এটি দিয়ে Dead phone(যেটি আর কোনভাবেই চালু হচ্ছে না)ও Flash করতে পারবেন ।
প্রথমে সফটওয়ারটি ডাউনলোড করুন মিডিয়াফায়ার থেকে-
New Version ==>> http://www.mediafire.com/file/g8nhzl85dbbl0qm/
PASSWORD==>> guarforum
শ্যাম সুন্দর দাদার দেয়া লেটেস্ট ভার্সনটি (Phoenix_Service_Software_2011.24.002.46258.exe (99.6 MB) ডাউনলোড করুন এখান থেকে।
ডাউনলোড শেষে সফটওয়ারটি Install করুন। আমার ৩১১০ ক্লাসিক সেটের Flash দেয়ার পর্যায়ক্রমিক ধাপ  screenshot-এর মাধ্যমে দেখানো হল-
এভাবে Setup দিন-
১.
২.
৩. Setup শেষ হলে Software টি Run করান। নিচের মত window আসবে-
৪. যে Nokia Mobile টি ফ্লাশ করবেন সেটি  Switch Off করে Data Cable দিয়ে PC'র সাথে কানেক্ট করান। এখন  File Menu থেকে ছবিতে প্রদর্শিত উপায় অনুসরন করুন-
৫. আপনার Phone-এর RM জানার জন্য ফোন থেকে ডায়াল করুন *#0000#. এখন আপনার ফোনের সঠিক RM টি সিলেক্ট করুন। আমার ৩১১০'র জন্য RM-237.
৬. এবার  File>Manage Connections.. এবং No Connection সিলেক্ট করুন।(বি. দ্র.: আপনাকে অবশ্যই No Connection সিলেক্ট করতেই হবে)। এখন Apply করে  Close করুন।
৭. এবার Firmware ডাউনলোড করার পালা। Tools থেকে Image File Download -এ ক্লিক করুন।
৮. এখানে আপনাকে Product Code দিতে হবে। এই কোডের জন্য আপনাকে ফোনের ব্যাটারি রিমুভ করতে হবে। ব্যাটারি স্লটে যেখানে ফোনের মডেল নম্বর থাকে সেখানে সাত ডিজিটের একটা কোড থাকে। এটাই Product Code.
৯.Product Code -এ কোডটি লিখুন। Download বাটন এ ক্লিক করুন।
১০. Download শেষ হলে Flash দেয়া শুরু করা যাবে। প্রথমে  মেনু বার থেকে Flashing>Firmware Update -এ ক্লিক করুন।
১১. নিচের ছবিগুলো অনুসরন করুন-
১২.
১৩. Dead Phone USB flashing বক্সটি Check করুন। তারপর Refurbish -এ ক্লিক করুন।
১৪. এই অবস্থায় Press power button এই message দিলে  ফোনের Power Button একটু চাপ দিয়ে ধরে রাখুন। taskbar এ Found New Hardware দেখালে বাটন ছেড়ে দিন।
এবারে অপেক্ষা করুন। ৭-১০ মিনিটের মধ্যেই Flashing শেষ হয়ে যাবে এবং ফোনটি অন হবে ইনশাল্লাহ।
আবারও চিত্র ...
Flash দেয়া তো শেষ হল কিন্তু ভবিষ্যতে যদি আবারও Flashing -এর প্রয়োজন হয় তখন ... বার বার Firmware Download না করে আমরা Firmware ফাইল টি  Save করে নেব। কিভাবে? C ড্রাইভের Program Files>Nokia>Phoenix. এখান থেকে Products ফাইলটি কপি করে আপনার ইচ্ছামত জায়গায় সেভ করুন। পরে যখন দরকার হবে তখন আবার ঐ ফাইলটি Phoenix-এর মধ্যে রাখলেই হবে। তখন আর Download করা লাগবে না। আবারও চিত্র...
যারা ফোনে ফ্ল্যাশ দেয়ার ব্যবসা করেন তারা মাফ করবেন।
ভালো লাগলে Comment করবেন। সমস্যা হলে জানাবেন। আর ভুল হলে ক্ষমা করতে ভুল করবেন না।
এই Post টি আগে আমার ব্লগে প্রকাশিত। তবে এখাবে বিস্তারিত। আমার ব্লগ mobileuni.blogspot.com
আল্লাহ হাফিজ।

BD Link (BDLink) Toolbar is a great toolbar(100% free) for Bangladeshi user only

BD Link (BDLink) Toolbar is a great toolbar(100% free) for Bangladeshi user only.It is very easy to use and contain all essential links of ...