https://dripirrigation.com.bd/

https://dripirrigation.com.bd/
https://dripirrigation.com.bd/

Thursday, October 27, 2011

মোবাইলের জন্য সেরা একটি English> বাংলা ডিকশনারি! সিম্বিয়ান/জাভা/এন্ড্রয়েড বা টাচ/ নন টাচ যে কোন মোবাইলের জন্য!

লিখেছেন হাসান জোবায়ের, ২২ শে অক্টোবর, ২০১১ রাত ৯:৪১

                       
মোবাইল নিয়ে এটাই আমার প্রথম পোস্ট। কারণ এতদিন সফটওয়্যার সাপোর্ট করে এমন মোবাইল ছিল না। কিন্তু এখন আছে। ;) আশা করি মোবাইল নিয়েও এখন পোস্ট করতে পারবো। :D

মোবাইল কিনার পরেই একটা ভাল ডিকশনারি খুজতেছিলাম। কিন্তু টাচ মোবাইলের জন্য তেমন ভাল কিছু পাচ্ছিলাম না। হঠাৎ করেই পেয়ে গেলাম এই ডিকশনারিটা। বলা যায় পুরা মনমতো পেয়েছি। :D



Bangla dictionary নামের এই চমৎকার ডিকশনারিতে প্রায় ২১০০০+ শব্দ আছে। এমনকি সব শব্দের বাংলা উচ্চারণসহ বিস্তারিত অর্থ আছে। Barron’s GRE Word book ফিল্টার ইচ্ছা করলে ON করে ব্যবহার করতে পারবেন। অন্য যে কোন ডিকশনারি থেকে এটা যে সেরা তা একবার ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন।

ডিকশনারি ইন্সটল করার ধারাবাহিক পদ্ধতিঃ

প্রথমে এখান থেকে jad এবং jar ফাইলটি ডাউনলোড করুন।
এবার ফাইল দুটি মেমরি কার্ডের একই ফোল্ডারে রেখে jad ফাইলটি ওপেন করে ইন্সটল শুরু করুন।(মোবাইলে নেট না থাকলে এইভাবে ইন্সটল করুন)

তবে আপনার মোবাইলে যদি নেট চালু থাকে তাহলে এইভাবে না করে নিচের পদ্ধতি মতো jad ফাইলটি ইন্সটল করুন।

এখান থেকে jad ফাইলটি ডাউনলোড করুন। এবার jad ফাইলটি মেমরি কার্ডে কপি করে ইন্সটল করুন। ইন্সটল করার সময় ২০০কেবির একটা ফাইল ডাউনলোড হবে। ব্যস নেটের কাজ শেষ।

আর আপনার যদি এন্ড্রয়েড সেট হয় তাহলে এটা ইন্সটল করুন।

এবার আসি পরের ধাপে। এখান থেকে জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করুন। জিপ ফাইলটি আপনার মেমরি কার্ডে কপি করে Extract করুন। তারপর জিপ ফাইল ডিলেট করে দিন।

এবার ইন্সটল হওয়া MainMIDLet সফটটি ওপেন করুন।





এবার settings এ যান।



আপনার মেমরিকার্ডের লেটার যদি E হয় তাহলে Raw Data URL এ file///E:/BanglaDictionary/ টাইপ করুন। তারপর সেভ করে কাজ শেষ করুন।



এবার সার্চ বক্সে আপনার কাংখিত শব্দ লিখে সার্চ করুন আর দেখুন রেজাল্ট।:D
আপনার সেট যদি টাচ মোবাইল হয় তাহলে ফুল স্কিন করতে দেখুন এই টিউন।
Nokia 5530, 3110 এবং 6300 মডেলে টেস্ট করা হয়েছে।

বিশেষ ধন্যবাদ রুবেল আহমেদকে যিনি এই ডিকশনারি তৈরি করেছেন। :)


আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।

Monday, October 24, 2011

আপনার সৃতি শক্তি কম ? না! ১০০ আতি প্রয়োজনিও ওয়েব অ্যাড্রেস মুখস্ত করুন মাত্র ১ মিনিটে!!! BD Link Toolbar


আপনার সৃতি শক্তি কম ? না!  ১০০ আতি প্রয়োজনিও ওয়েব অ্যাড্রেস মুখস্ত করুন মাত্র ১ মিনিটে!!!
কোটি কোটি ওয়েব অ্যাড্রেস আছে দুনিয়ায় কিন্তু আমাদের সব দরকার হয় না। ১০০ ওয়েব অ্যাড্রেস মনে রাখতে পারলেই আনেক। আপনার কি মনে আছে আপনার ১০০ আতি প্রয়োজনিও ওয়েব অ্যাড্রেস। না থাকাটাই সাভাবিক কিন্তু কাজের সময় খুজে না পেলে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যায় তাই না? আর কষ্ট করে মনে রাখতে হবেনা। মাত্র ১ মিনিটে মুখস্তত করে ফেলুন একটি নাম

BD Link Toolbar (বিডিলিংক টুলবার)

এখানে পাবেন সকল বাংলা, ইংরেজি সংবাদপত্র, ব্লগ, শেয়ার বাজার, অটো E-mail নোটিফিকেশন, ডাউনলোড লিংক, অনেক প্রয়োজনিও তথ্য লিঙ্ক, গুগল, ফেসবুক, ইউটিউব সহো আরো অনেক লিঙ্ক......একের ভেতর সব।

যা অনেক সময় প্রয়োজনেও পাবেন না। তাই আজই এটি ডাউনলোড কারে নিন।



Thursday, October 20, 2011

কম্পিউটার অটো Refresh হবে

কম্পিউটারে কোন কাজ করার পর রিফ্রেস দেওয়াটা অনেকের কাছে রীতিমত অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছে কারো কারো অভ্যাসটা এত বেশী হয়ে গেছে যে কারণে-অকারণেই অনেকে রিফ্রেস দেন :) যাই হোক, আমি আজকে আপনাদের একটা ছোট টিপস শেখাব টিপসটি হল কিভাবে সয়ংক্রিয়ভাবে রিফ্রেস করা যায় এই কাজটি করার ফলে কম্পিউটার নিজে নিজেই রিফ্রেস করে নেবে আপনাকে আর কষ্ট করে মাউস দিয়ে রিফ্রেস করতে হবে না এজন্য আপনাকে যা করতে হবে:
Start Menu -> Run
গিয়ে regedit লিখে ok করুন Registry Editor চালু হবে HKEY_LOCAL_MACHINE -> SYSTEM -> CurrentControlSet -> Control -> Update গিয়ে ডান পাশে লেখা দেখবেন UpdateMode এটাতে ডাবল ক্লিক করে ডাটা 1 এর পরিবর্তে 0 করে দিন কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন ব্যাস হয়ে গেল এখন থেকে আপনার কম্পিউটার অটোমেটিক রিফ্রেস হবে

ল্যাপটপের ব্যাকআপ টাইম বাড়ানোর সহজ কিছু টিপস



লোডশেডিং এর এই সময়ে কম্পিউটার যাদের জন্য অতীব জরুরি তাদের কাছে ল্যাপটপের ল্যাপটপের ব্যাকআপ টাইম বাড়ানোব্যাকআপ টাইম যে কতটা মূল্যবান তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আর তাই ল্যাপটপ কেনার সময়ই এখন আগে সবাই দেখে নেন এটি কতক্ষণ ব্যাকআপ দিতে পারবে সেটা। বর্তমান সময়ের সব মডেলের ল্যাপটপই ২ থেকে শুরু করে ১০ ঘন্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ দিতে সক্ষম। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে কোম্পানী যা বলে তা পাওয়া যায় না,মানে ব্যাকআপ টাইম যতটা বলা হয়েছিল ততোটা পাওয়া যাচ্ছে না। এর কারণ হচ্ছে কোম্পানী যেভাবে ব্যাকআপ টাইম হিসাব করে আমরা তো আর সেভাবে ব্যবহার করি না। আরো সহজ কথায় বলতে গেলে আপনি যদি গান শুনেন তাহলে যতক্ষণ ব্যাকআপ পাবেন,ভিডিও দেখলে তারচেয়ে কম ব্যাকআপ পাবেন। এভাবে যতোবেশি রিসোর্স হাংরি প্রোগ্রাম আপনি রান করাবেন ততোই কমে যাবে ব্যাকআপ টাইম।
তাই বলে কি আপনি কাজ বাদ দিয়ে দিবেন নাকি? তাহলে আর ল্যাপটপের দরকার রইলো কোথায়? সেজন্যই এই টিপস। কিভাবে কি কি করে আপনি আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারিটিকে আরেকটু বেশিক্ষণ বাঁচিয়ে রাখতে পারেন তাই বলব আজ।
প্রথমেই চলে আসবে অপারেটিং সিস্টেমের কথা। আপনি কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছেন তার উপরও ব্যাকআপ টাইম নির্ভর করবে। আপনার ল্যাপটপ যদি বেশি পুরানো না হয়ে থাকে তাহলে উইন্ডোজ এক্সপি বা ভিসতার চেয়ে আপনি সেভেন ব্যবহার করলে বেশিক্ষণ ব্যাকআপ পাবেন। আরেকটা কথা,ডেস্কটপ কম্পিউটারের ক্ষেত্রেও উইন্ডোজ সেভেন আগের যেকোনো উইন্ডোজের চেয়ে কম বিদ্যুত খরচ করে যা আপনার মাসিক বিদ্যুত বিলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিভিন্ন পরীক্ষার ফল কিন্তু তাই বলে।
আপনি হয়তো ভাবছেন এ আবার এমন কি প্রভাব ফেলতে সক্ষম? একটা উদাহরণ দিলে সব পানির মতো পরিষ্কার হয়ে যাবে আপনার কাছে। এপলের ম্যাকবুকে যখন ম্যাক ওএস চলে তখন এটি প্রায় ৮ ঘন্টা ব্যাকআপ দেয়। আর সেই ল্যাপটপই মাত্র দেড় ঘন্টা ব্যাকআপ দেয় যখন সেটিকে চালানো হয় উইন্ডোজে। মূলত অপারেটিং সিস্টেমের সাথে হার্ডওয়ারের সম্পর্ক এবং সার্বক্ষণিক চলতে থাকা বিভিন্ন সার্ভিসই এই পার্থক্য গড়ে দেয়।
ল্যাপটপের ব্যাটারী সেভ করতে গেলে আপনার আগে জানা দরকার এর কোন অংশতি সবচেয়ে বেশি বিদ্যুত খরচ করে। কোনো ধারণা আছে আপনার?প্রসেসর?ওয়াই-ফাই?স্পীকার?নাকি অন্য কিছু? না পাঠক এর কোনোটাই না,উত্তর হবে ডিসপ্লে। বিশ্বাস করেন আর নাই করেন ব্যাটারীর ৪৩%ই খরচ করে এর ডিসপ্লে। আর অন্য হার্ডওয়ারের মধ্যে মাদারবোর্ড ২১%, প্রসেসর ৯%, গ্রাফিক্স ৮%, হার্ডডিস্ক ৫% আর নেটওয়ার্ক ডিভাইস ৪% পাওয়ার খরচ করে।
উইন্ডোজ সেভেনে ল্যাপটপের ব্যাকআপের কথা মাথায় রেখে এর পাওয়ার প্ল্যানকে সেভাবে তৈরি করা হয়েছে উইজারের বিভিন্ন প্রয়োজনের কথাই মাথায় রেখে। উইন্ডোজ মোবিলিটি সেন্টার এর অন্যতম। কীবোর্ডের উইন্ডোজ+এক্স কী একসাথে প্রেস করলেই এটি ওপেন হবে।
উইন্ডোজ মোবিলিটি সেন্টার
উইন্ডোজ মোবিলিটি সেন্টার
এখান থেকে আপনি খুব সহজেই ডিসপ্লে ব্রাইটনেস,স্পীকার ভলিউম,পাওয়ার প্ল্যান সেটিংস,ওয়ারলেস নেটওয়ার্কিং, সিনক্রোনাইজেশন,প্রেজেন্টেশন মোড এবং এক্সটার্নাল ডিসপ্লে সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন। আর ডিসপ্লে ব্রাইটনেস যে আপনার ল্যাপটপের ব্যাকআপ টাইমের অন্যতম নিয়ামক তা নিশ্চয়ই এতোক্ষণে বুঝে গেছেন। তেমনি অযথা সারাক্ষণ ওয়ারলেস নেটওয়ার্কিং বা ওয়াই-ফাই চালু রাখারও নিশ্চয়ই কোনো কারণ নেই?
এর পরেই চলে আসি মূল অপশনে। পাওয়ার প্ল্যান সেটিংস হচ্ছে আপনার ল্যাপটপের ব্যাকআপের পেছনে মূল অনুঘটক। নোটিফিকেশন এরিয়াতে ব্যাটারী আইকনে ক্লিক করেই আপনি এর দেখা পাবেন। এখানে থেকেই খুব সহজে কতোক্ষণ ব্যাকআপ থাকবে,পাওয়ার প্ল্যান পরিবর্তন বা ডিসপ্লে ব্রাইটনেস পরিবর্তন করতে পারবেন। আর কথা না বলে এবার ঢুকে যাই পাওয়ার প্ল্যানের ভেতরে। ল্যাপটপে অফিসের যেকোনো কাজ বা বিনোদনের কাজের জন্য পাওয়ার সেভার প্ল্যানটিই উত্তম। এটি নিয়ে কাজ করতে আপনার কোনো সমস্যাই হবার কথা না। যদি আপনি রিসোর্স হাংরি কোনো কাজ করেন বা গেম খেলতে চান অথবা হাই ডেফিনেশন মুভি দেখতে চান তখন ব্যবহার করতে পারেন ব্যালেন্সড বা হাই পারফরম্যান্স সেটিংস।পাওয়ার প্ল্যান সেটিংস
কয়েক সংখ্যা আগে টেকনোলজি টুডেতে ডেস্কটপের জন্য পাওয়ার প্ল্যান সেটিংস নিয়ে বলেছিলাম আপনাদের। সেখানেই আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন এ সম্পর্কে। আমি এখানে ল্যাপটপের জন্য আলাদা পয়েন্টগুলা বলছি।
>> পাওয়ার সেভারে ক্লিক করে চেঞ্জ প্ল্যান সেটিংস-এ যান।
>> এখানে আপনি ব্যাটারী এবং প্লাগড ইন অবস্থার জন্য আলাদা-আলাদা সেটিংস অপশন খুঁজে পাবেন।
>> ডিম দা ডিসপ্লে মানে হচ্ছে কোনো কাজ না করলে কতোক্ষণ পর আপনার মনিটরের ব্রাইটনেস কমে যাবে সেটা। পরের ২টা অপশন ত বুঝতেই পারছেন। আর শেষটি হচ্ছে ডিসপ্লে ব্রাইটনেস। অন ব্যাটারীতে ব্রাইটনেস যতোটা সম্ভব কমিয়ে রাখুন।
>> এবারে নিচে চেঞ্জ এডভান্সড পাওয়ার সেটিংস-এ ক্লিক করুন। এখানে প্রায় ল্যাপটপের প্রতিটি কম্পোনেন্টের জন্যই কিছু না কিছু পাবেন আপনি। অন ব্যাটারীর জন্য সবই কমিয়ে রাখুন।
>> আর নেটওয়ার্কিং এন্ড শেয়ারিং সেন্টারে গিয়ে ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক কানেকশন বা ওয়াই-ফাই ডিজাবেল করে দিন। কেননা এটি অন থাকলে তা প্রতিনিয়তই ওয়াই-ফাই কানেকশন খুঁজে যেতে থাকে।

দক্ষতা বাড়ান মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারে




আপনার প্রিয় ব্রাউজার কি আমার মত মজিলা ফায়ারফক্স ?  যদি উত্তর হয় হ্যাঁ তাহলে এই টিউনটি আপনার জন্য।
আমি আজ শেয়ার করবো মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারের শর্টকাট উপায়। অনেকেই এই সম্পর্কে জানেন , যারা জানেন না তাদের জন্য আমি এই টিউনটি শেয়ার করছি।

Address বার এর সহজ ব্যবহার :

আমরা সাধারণত Address বার এ গিয়ে কোন একটি ওয়েবসাইটের Address লিখতে গিয়ে পুরো Address টা লিখি। যেমন ধরুন আপনি ফেসবুক এর পেজটি দেখতে চাচ্ছেন। Address বারে www.facebook.com লিখলেন। এন্টার প্রেস করলেন, চলে আসলো facebook এর লগইন পেজটি। আপনি চাইলে পুরো Address টি না লিখে শুথুমাত্র facebook লিখে Ctrl + Enter প্রেস করেই স্বার্থ সিদ্ধি করতে পারেন। তাহলে যেটা হবে এর আগে পরে যা কিছু থাকে আপনাকে তা টাইপ করতে হবে না। এক্ষেত্রে বলে রাখা দরকার যে ডোমেইন . com  হলে "Ctrl + Enter, .net হলে "Sheft + Enter এবং .org হলে Ctrl + Shift + Enter" প্রেস করতে হবে।

বুকমার্কে কি ওয়ার্ড এর ব্যবহার:

আপনি শুধু Address বারে কি ওয়ার্ডটি টাইপ করবেন। তারপর কথা নাই বার্তা নাই এন্টার। ব্যাস, কাঙ্খিত ওয়েবসাইটটি লোড হয়ে যাবে। এর জন্য যে কোন একটি বুকমর্কের উপর রাইট ক্লিক করে প্রপারটিজে ক্লিক করুন। সেখানে বুকমার্ক বক্সটিতে নিজের ইচ্ছামত কি ওয়ার্ড বসিয়ে দিন। এখন আপনি Address বারে শুধু সেই কি ওয়ার্ডটিই টাইপ করবেন। এরপর এন্টার প্রেস করবেন।

এক ট্যাব থেকে অন্য ট্যাব :

যারা একটি ব্রাউজারে একসাথে অনেকগুলো ট্যাব চালু করি তাদের প্রায়ই ঘন ঘন ট্যাব পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়। কাজটি মাউস দিয়ে সহজেই করা সম্ভব। যদি এই কাজটি দূততার সাধে করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই কিবোর্ড এ হাত দিতে হবে। আর এজন্য, আপনার শর্টকাট কী এর জ্ঞান থাকা চাই। আপনি যে ট্যাব এ আছেন তার পরবতীট্যাব এ গমনের জন্য Ctrl + Tab  প্রেস করুন। আর আগের ট্যাবটিতে ফিরে যাবার জন্য প্রেস করুন ctrl +shift++tab”  এখন ধরুন আপনি যে কোন একটি ট্যাব এ আছেন এবং "৬" নম্বর ট্যাব এ যেতে চান। এৰেত্রে ctrl+6  প্রেস করতে হবে।

ওয়েব পেজ দেখার স্থান:

অনেকেই ফায়ারফক্স এ বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে ইনস্টল করেন টুলবার। থাকে অনেক অনেক বুকমার্ক। ফলে ওয়েব পেজ দেখার জন্য যে স্থানটি রয়েছে সেটে সংকুচিত হয়ে যায়। মোটামুটি সাইজের একটি পেজ দেখতে গেলেও বারবার মাউস স্ক্রলিং করতে হয়। তাউ খুব বেশি প্রয়োজন না হলে আমি পাঠককে টুলবার ইন্সটল করতে নিরুৎসাহিত করে থাকি। এছাড়া ব্রাউজারের একদাম ওপরে যে মেনুটি রয়েছে তার পাশে ( যেখানে কোন বাটন বা লিংক নেউ) রাইট ক্লিক করে বুকমার্ক, মেইন মেনু ইত্যাদি আনমার্ক করে দিয়ে ওয়েব পেজ দেখার স্থান বৃদ্ধি করা যায়। এছাড়া রিলোড, স্টপ, ইত্যাদি আইকান সমূহ ছোট করেও কাজটি করা সম্ভব। আর এ জন্য ফায়ারফক্স এর মেইন মেনু থেকে ভিউতে যান। সেখান থেকে টুলবার > সাবমেনু > কাস্টমাইজ। এর পর Use small Icons  এ মার্ক করে Doneএ ক্লিক করুন।

পাইপলাইনিং পদ্ধতি ব্যবহার:

পাইপলাইনিং এমন একটি পদ্ধতি যাতে একই সাথে কোড, মিডিয়া ইত্যাদি লোড করা যায়। ফলে পেজটি দূততম লোডিং সম্ভব হয়। তবে এই পদ্ধতিটি ব্রডব্যান্ড সংযোগ ব্যবহার কারীদের জন্য। এ পদ্বতিActive করতেAddress বারে about:config টাইপ করে এন্টার প্রেস করুন। ফিল্টার বক্স এ network.http টাইপ করম্নন, এখন নিচ থেকে এক এক করে ক্লিক করুন network.http.pipelining এবং network.http.proxy.pipelining এ দুটি অপশন true করে দিন (ডাবল ক্লিক করে ) network.http.pipelining.maxrequest এ ডাবল ক্লিক করে ভ্যালু ১০ সেট করে দিন (বা আপনার পছন্দ মত মান ব্যবহার করুন), এখন ফাঁকা স্থানে (যেখানে কোন বাটন বা লিংক নেই) ক্লিক করে new-integer সিলেক্ট করুন। নাম দিন nglayout.initialpaint.delay  এবাং ভ্যালু দিন জিরো হয়ে গেল পাইপলাইনিং
(বিঃ দ্রেঃ যে কোন পরিবর্তনের পর ব্রাউজারটি রিস্টার্ট করতে হবে)

কিছু প্রয়োজনীয় কিবোর্ড শটকার্ট

পাঠকের ফায়ারফক্স ব্রাউজিং অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে নীচে কিছু শটকার্ট তুলে ধরলাম:

নেভিগেশন বিষয়ক

  • ব্যাক ( পেছনের পেইজে যেতে) - Alt+ বাBack Space
  • ফরওয়ার্ড Alt+ বা Shift Back Space
  • হোমপেজ Alt+Home
  • রিলোড Fs বা Ctrl+R
  • স্টপ (স্টপ লোডিং পেজ - Esc
  • বর্তমান পেজবিষয়ক :
  • পেজের শেষ প্রান্তে - End
  • পেজের উপারের প্রান্তে -Home
  • পরবতী ফ্রেম -F6
  • পূর্বের ফ্রেম - Shift+F6
  • পেজ ইনেফো বিষয়ক:
  • পেজ উৎস - Ctrl +U
  • প্রিন্ট - Ctrl+P
  • সেভ পেজ অ্যাজ - Ctrl+S
  • জুম ইন - Ctrl++
  • জুম আউট - Ctrl+-
  • জুম রিসেট - Ctrl+O

সার্চ বিষয়ক :

  • ফাইন্ড (ইন পেজ ) - Ctrl+F
  • ওয়েব সার্চ - Ctrl+K, Ctrl+E
  • উইন্ডো এবং ট্যাব বিষয়ক
  • ক্লোজ ট্যাব - Ctrl+W, Ctrl+F4
  • ক্লোজ উইন্ডো - Ctrl+Shift+W, Alt+F4
  • ডান পাশের ট্যাব - Ctrl+
  • বাম পাশের ট্যাব - Ctrl+
  • সর্ব প্রথম ট্যাব - Ctrl+ Home
  • সর্ব শেষ ট্যাব - Ctrl+End
  • নতুন ট্যাব - Ctrl+T
  • নতুন উইন্ডো ট্যাব - Ctrl+N
  • আনডু ক্লোজ ট্যাব - Ctrl+Shift+T
  • আনডুক্লোজ উইন্ডো - Ctrl+Shift+N

টুলস :

  • বর্তমান পেজ বুকমার্ক করতে Ctrl+D
  • ডাউন লোডস - Ctrl+J
  • হিষ্ট্রি - Ctrl+H

অন্যান্য :

  • টগল ফুল স্ক্রীন - হেল্প -F1 সিলেক্ট লোকেশন বার F6 বা Ctrl+L.
কারো উপকারে লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।  আর ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দিষ্টিতে দেখবেন।

আর সবকিছুর একটি সমাধান তা হলো BDLink Toolbar


বিডিলিংক টুলবার, একের ভেতর সব......আজই এটি ডাউনলোড করে নিন আর আপনার বন্ধুকে বলুন।




Thursday, October 13, 2011

Symbian মোবাইল ফোনের ফন্ট পরিবর্তন করার সহজ উপায় (সাথে ৩৭টি প্রিমিয়াম ফন্ট ফ্রি)

FlipFont নামের Symbian সফটওয়্যারটি দিয়ে খুব সহজেই ফন্ট পরিবর্তন করা যায়।
FF
প্রথমে আপনার মোবাইলের ডিফল্ট ওয়েব ব্রাউজার থেকে flipfont.mobi ওয়াপ সাইটটিতে যান। সেখান থেকে FlipFont সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন।(Recommended)
অথবা এই লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে মোবাইলে ইনস্টল করুন।
FFAnimation2
সফটওয়্যারটি ওপেন করলে দেখবেন ৩টি ট্রায়াল ফন্ট দেওয়া আছে। আপনার পছন্দ অনুযায়ী ফন্ট সিলেক্ট করে মোবাইল রিস্টার্ট করলে দেখবেন ফন্ট বদলে গেছে। রিস্টার্ট হতে এক মিনিটের মত অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। আবার অরিজিনাল ফন্টে ফেরত যেতে চাইলে ডিফল্ট ফন্ট সিলেক্ট করে রিস্টার্ট করুন। এ ট্রায়াল ফন্টগুলো ২ দিন বা ৪৮ ঘন্টার জন্য।
BeforeAfter3
প্রিমিয়াম ফন্টগুলো এই লিঙ্ক হতে ডাউনলোড করে নিন। এখানে ৩৭টি প্রিমিয়াম ফন্ট দেওয়া আছে। ফাইলটি আনজিপ করে ফন্টগুলো একটি একটি করে ইনস্টল করুন। চাইলে ট্রায়াল ফন্টগুলো মুছে ফেলতে পারেন, কারন ২ দিন পর এগুলো আর ব্যবহার করতে পারবেন না। এজন্য ফোন মেমরী বা কার্ড মেমরীর(যেখানে ইনস্টল করেছেন) FlipFont ফোল্ডারে গিয়ে ট্রায়াল ফন্টের ফাইলগুলো(.ttf .in2 ফাইল) ডিলেট করে দিন। যদি ট্রায়াল ফন্টের .lt2 ফাইল থাকে সেগুলোও ডিলেট করুন।
বিভিন্ন ফন্টের নমুনা:
FlipFonts-14Apr10
সতর্কীকরন: আমি আমার Nokia E63-তে কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করছি, তবে ফন্ট পরিবর্তন করতে গিয়ে অনেকের ডিভাইস নাকি ক্র্যাশ করে। অতএব সফটওয়্যারটি নিজ দায়িত্বে ব্যবহার করুন।
07_29-09-FF-menu1V-BA-RGB
সাপোর্টেড ডিভাইসের তালিকা:
Nokia 5320™ XpressMusic®
Nokia 5530™ XpressMusic®
Nokia 5630™
Nokia 5700™ XpressMusic
Nokia 5730™
Nokia 5800™ XpressMusic
Nokia 6110 Navigator™
Nokia 6120 Classic™
Nokia 6121 Classic™
Nokia 6210 Navigator™
Nokia 6220 Classic™
Nokia 6290™
Nokia 6650™
Nokia 6710™
Nokia 6710 Navigator™
Nokia 6720™
Nokia 6720 Classic™
Nokia 6730 Classic™
6760 Slide™
6790 Slide™
6790 Surge™
Nokia E50®
Nokia E51®
Nokia E51®
Nokia E52®
Nokia E55™
Nokia E61™
Nokia E61i™
Nokia E62®
Nokia E63®
Nokia E65®
Nokia E65 NG®
Nokia E66™
Nokia E71™
Nokia E72™
Nokia E75™
Nokia E90®
Nokia N71™
Nokia N73™
Nokia N75™
Nokia N76®
Nokia N77™
Nokia N78™
Nokia N79™
Nokia N80®
Nokia N96-3®
Nokia N97®
Nokia N97 Mini®
Nokia N81™
Nokia N81 8GB
Nokia N82™
Nokia N85®
Nokia N86™ 8MP
Nokia N92™
Nokia N95®
Nokia N95-3™
Nokia N95 8GB
Nokia N96™
Nokia V804NK™
Samsung i8910™
Samsung GT-i8510™
Samsung GT-i7110™
Samsung Omnia HD i8910™
Samsung SGH-L870™
Symbian S60 3.x™
Symbian S60 5.0™

SIS/SISX ফাইল ভেঙ্গে চুরে দেখে নিন ভিতরে কি কি আছে…

এই সফটয়ারটা এত কাজের তা আপনাদের বলে বুঝাতে পারব না।

এই সফটয়ার দিয়ে আপনি যা যা করতে পারবেন

  1. সিস ফাইল এর ভিতর কি কি ফাইল আছে তা দেখতে পারবেন
  2. সিস ফাইল এর ভিতরে থেকে সব ফাইল আনপ্যাক করতে পারবেন
  3. সিস ফাইল এর ertificates and signatures বদল করতে পারবেন
  4. আপনি ইচ্ছে মত সফটয়ার এডিট করতে পারবেন (যেমনঃ নাম,আইকন, মেসেজ় আরও অনেক)

Screenshots of SIS Contents 1.0.3




ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন
এই সফটয়ার টা সুধু (Nokia S60 3rd, 5th Edition and Sony Ericsson UIQ 3.x platforms) সাপর্ট করে।

BD Link (BDLink) Toolbar is a great toolbar(100% free) for Bangladeshi user only

BD Link (BDLink) Toolbar is a great toolbar(100% free) for Bangladeshi user only.It is very easy to use and contain all essential links of ...